ব্যবসা-বাণিজ্য

Business Ideas: বেকার বসে না থেকে শুরু করুন এই 3টি ব্যবসা, মাস গেলে মোটা টাকা ইনকাম করুন।

অনেক ছাত্র-ছাত্রীরা বর্তমানে গ্রাজুয়েশন করে বা উচ্চমাধ্যমিক পাস করার পর বাড়িতে বেকার বসে আছেন। তবে বেকার না বসে থেকে আপনারা বেশ কিছু ব্যবসা শুরু করতে পারেন, যেগুলি শুরু করতে গেলে আপনার সেরকম কোন মূলধন বা পুঁজি লাগবে না, তবে মাস গেলে প্রচুর টাকা উপার্জন (Earning) করতে পারবেন।

বর্তমানে অনেকেই পড়াশোনার ফাঁকে বা পার্মানেন্টলি অনেক ব্যবসা করার চিন্তা-ভাবনা করছেন। কারণ চাকরির বাজার ক্রমশ সংকুচিত হয়ে আসছে। এই অবস্থায় আপনারা যদি নিজের স্বল্প মূলধনকে কাজে লাগিয়ে বাড়িতে ব্যবসা(Home Business Ideas) শুরু করতে পারেন তাহলে কয়েকটা মাস অপেক্ষা করার পর প্রত্যেক মাসে কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জন(Earn Thousand Rupees at Home) করতে পারবেন। আপনার ব্যবসা(Business Idea) যদি ধীরে আরো বড় হয়ে ওঠে, তবে মাসিক ইনকাম(Earning) একজন সরকারি কর্মচারী থেকেও কয়েক গুণ বেশি হতে পারে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু ইউনিক ব্যবসার আইডিয়া (Unique Business Ideas for Students) যেগুলি আপনারা অল্প বয়স থেকে, ছাত্র জীবনে এবং প্রাপ্তবয়স্ক হয়েও শুরু করতে পারবেন এবং অল্প পুঁজি দরকার হবে ব্যবসা গুলি করার জন্য।

Table of Contents

১) মুরগী পালন ব্যবসা:

বাড়িতে স্বল্প মূলধনে শুরু করার মত অন্যতম একটি ব্যবসা(Business Idea) হল মুরগি পালন ব্যবসা(Hen Business, Poultry Farming)। খুব অল্প জায়গার মধ্যেই এই ব্যবসা(Business) আপনারা করতে পারবেন আর মাত্র দু মাসের মধ্যেই আপনারা লাভের মুখ দেখতে পাবেন। বাড়িতে মুরগির ব্যবসা(Poultry Farming Business) করতে গেলে আপনাদের বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো এই বিষয়গুলি সম্পর্কে।

মোরগ-মুরগি নির্বাচন:

মুরগি পালন করতে গেলে সুস্থ সবল এবং ভালো জাতের মুরগি পালন করাই ভালো।রোড আইল্যান্ড রেড (আরআইআর) বা ব্ল্যাক অস্ট্রালর্প এবং অন্যান্য ভালো জাতের মুরগি আপনাকে বাছাই করতে হবে। ৪০০ গ্রাম থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের মোরগ মুরগি দিয়ে আপনারা ব্যবসা(Poultry Farming Business) শুরু করলে দু মাসের মধ্যে সেগুলোর ওজন ২ কেজির বেশি হয়ে যাবে। এজন্য লাভের অংকটাও হবে বেশ মোটা।বনরাজা, গিরিরাজা, গ্রামরপ্রিয়া ইত্যাদি প্রজাতির মুরগি বর্তমানে কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হচ্ছে। আপনারা চাইলে এই মুরগিগুলিও পালন করতে পারেন।

জায়গা নির্বাচন:

বাড়ির ছাদে বা উঠানের ফাঁকা জায়গায় আপনারা মুরগি পালন করতে পারেন। বাঁশ এর বেড়া, কাঠের তক্তা, জাল দিয়ে তৈরি ঘর বানাতে হবে, যেখানে ভালো বাতাস চলাচল করতে পারে। মোটামুটি অল্প জায়গার মধ্যেই আপনারা অন্তত ১০ থেকে ১৫ টি মোরগ মুরগি পালন করতে পারবেন।

মোরগ মুরগির পরিচর্যা:

মোরগ মুরগির পরিচর্যা করার জন্য তেমন লোকজন বা সময়ের প্রয়োজন পড়ে না। সকালে এবং সন্ধ্যায় কিছু খাবার দিতে হয় এবং সারাদিন ওরা নিজেরাই খুঁটে খুঁটে খাবার খেতে থাকে। মুরগির মল যাতে ওদের থাকার জায়গায় লেপটে না যায়, সেজন্য মুরগির ঘরে অনেকটা করে তুষ ছড়িয়ে রাখতে হবে পুরু করে। এছাড়া মুরগির ঘর মাঝেমধ্যে পরিষ্কার করতে হবে।

মোরগ-মুরগির খাবার:

মোরগ মুরগীদের সাধারণত বাড়ির বাড়তি খাদ্য খেতে দিলেই হয়। যেমন ফেলে দেওয়া ভাত, বাসি রুটি, শাক সবজির খোসা, লতাপাতা ইত্যাদি। তবে আরও দ্রুত যদি আপনি মুরগিদের বৃদ্ধি ঘটাতে চান তাহলে একটু ভালো মানের খাবার খাওয়াতে হবে যেমন চালের গুঁড়ো, গম ভাঙ্গা, খুদ, সর্ষের খোল, সোয়াবিনের গুঁড়ো, ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট ইত্যাদি। এলাকার কোন পশু খাদ্যর দোকানে গেলেই আপনারা এই খাবারগুলি(Poultry Foods) পেয়ে যাবেন।

মুরগির রোগ ব্যাধি:

মোরগ মুরগির কৃমি এবং বেশ কিছু জীবাণু সংক্রান্ত রোগ হওয়ার প্রবণতা রয়েছে। এই জন্য আপনাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। কয়েকটি সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের জন্য টীকাকরণ জরুরী এবং মোরগ মুরগির কোনরকম শারীরিক সমস্যা(Problem) দেখা দিলে অতিসত্বর কোন পশু চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

মোরগ মুরগির প্রজনন:

দেশি মুরগির সাথে উন্নত জাতের মোরগের সংকরায়ন করে উন্নত প্রজাতির মুরগি তৈরি করা যায় এবং জিনের উৎকর্ষতা বাড়ানো যায়। বাড়িতে ডিম পটানোর মেশিন থাকলে আপনারা বাড়িতেই ডিম ফুটিয়ে নতুন মোরগ মুরগি তৈরি করতে পারবেন। সংকর জাতের মুরগিগুলি ৪-৫ মাস বয়স থেকেই ডিম দেওয়া শুরু করে এবং বছরে ১২০ থেকে ১৪০টি ডিম দেয়, যা অন্যান্য দেশি মুরগির তুলনায় দ্বিগুণ।

মোরগ মুরগির ব্যবসায় ইনকাম:

Poultry Farming Business বা মোরগ মুরগি পালন করে আপনাদের ইনকাম(Earning) কত টাকা হতে পারে, সেই বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া যায় না। আপনারা যদি ১০ টি বাচ্চা মোরগ-মুরগি পালন করেন এবং দুমাস পর সেগুলোর ওজন ২ কেজি করে হয়ে যাবে। বর্তমান বাজারদর সাপেক্ষে এই দশটি মুরগির মাংসের দাম হবে প্রায় চার হাজার টাকা। আবার আপনি যদি ডিম বিক্রি করেন সেখানেও আপনাদের লাভ রয়েছে। প্রতিদিন দশটি করে মুরগি ডিম বিক্রি করতে পারলে আপনাদের 50 টাকা উপার্জন (Earning) হবে প্রত্যহ। অর্থাৎ মাসে ১৫০০ টাকা। আপনি যদি মোরগ মুরগির সংখ্যা বাড়তে পারেন, তার সাথে ছোট মোরগ মুরগি বিক্রি করার ব্যবসা(Business Idea)ও শুরু করতে পারেন তাহলে প্রত্যেক মাসে আপনারা পঞ্চাশ হাজার টাকার বেশি উপার্জন(Earning From Hen Business) করতে পারবেন।

২. স্বল্প মূলধনে বা মূলধন ছাড়াই করার মতো অন্য একটি ব্যবসা হলো কোচিং বিজনেস।

বর্তমানে চাকরির বাজার ক্রমশ সংকুচিত হয়ে আসছে।এই অবস্থায় আপনি যদি একটি কোচিং (Coaching Business) সেন্টার খুলে পড়ানো শুরু করতে পারেন, তাহলে আপনি মন মত ইনকাম(Earning) করতে পারবেন তার সাথে আপনি ছাত্র-ছাত্রীদের ভালোভাবে একটি বিষয় পড়াতেও পারবেন, পাশাপাশি উপার্জন (Earning)ও হবে, সম্মানও মিলবে।

কোচিং এর ব্যবসা(Coaching Business)করতে গেলে আপনাকে বেশ কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। এই বিষয়গুলি সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

কোচিং এর জায়গা নির্বাচন করুন:

অনেক ভালো শিক্ষক এমন জায়গায় টিউশন পড়ান যেখানে ছাত্র-ছাত্রীদের যাওয়া আসা করা বেশ কষ্টসাধ্য। এজন্য অনেক ছাত্র-ছাত্রীরা সেখানে পড়তে যেতে পারেন না। আপনারা যদি স্কুলের আশেপাশে বা কোন স্টেশনের আশেপাশে ঘর ভাড়া করে পড়াতে পারেন , তাহলে ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের পক্ষে সুবিধাজনক হয় এব এই ভাবে আপনি অনেক ছাত্রছাত্রী পাবেন।

বড়ো ঘর এর ব্যবস্থা করতে হবে:

ছোট ঘরে পড়াতে গেলে ছাত্র-ছাত্রীদের বসতে অসুবিধা হয় এবং মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটে। এছাড়া পরবর্তীকালে যদি আপনার ছাত্রসংখ্যা বাড়ে, তাহলে বসতে দিতে সমস্যা(Problem) হতে পারে। এই জন্য প্রথমে একটি বড় ঘরে পড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

শিক্ষা (Education)ব্যবস্থাকে ভালো করে বুঝুন:

আপনি যেখানে পড়ান, সেখানে যে যে ছাত্রছাত্রীরা পড়তে আসে, তাদের স্কুলে কিভাবে পড়ানো হচ্ছে এবং তাদের অভিভাবকেরা কেমন ধরনের পড়ানো চাইছেন আপনাকে সেই ধরনটি আগে বুঝে নিতে হবে। সেই অনুযায়ী আপনি যদি পড়ানো শুরু করেন, তাহলে অভিভাবকদের কাছেও আপনার পড়ানো পছন্দ হবে এবং স্কুলের সিলেবাস এবং তাদের নিয়ম কানুনের সাথেও আপনি সামঞ্জস্য রেখে চলতে পারবেন।

বিষয় নির্বাচন করুন:

আপনি যেই বিষয়টি পড়াতে সব থেকে বেশি পারদর্শী ,সেই বিষয়টি সিলেক্ট করুন। এছাড়া আরেকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে, এলাকার কোন অংশে এই বিষয়ের শিক্ষক কম আছে ,আপনি সেখানে গিয়ে পড়ানো শুরু করতে পারেন। তাহলে আপনারা খুব অল্প সময়ের মধ্যেই অনেক ছাত্র-ছাত্রী পেয়ে যাবেন পড়ানোর জন্য। এছাড়া আপনার পড়ানোর টেকনিক যদি ভালো হয় এবং ছাত্র-ছাত্রী (Students)রা যদি খুব সহজে আপনার পড়ানো বুঝতে পারে, তাহলে খুব শীঘ্রই অনেক ছাত্র-ছাত্রী (Students) পেয়ে যাবেন আপনি।

ফি নির্বাচন করুন:

একটি কোচিং (Coaching Business) সেন্টারে নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত অনেক ধরনের ছাত্রছাত্রী পড়তে আসেন। অনেকের পারিবারিক অবস্থা হয়তো খুব ভালো আবার অনেকের মাইনে দেওয়ার মত অবস্থাও থাকে না ।এজন্য আপনার কোচিং (Coaching Business) সেন্টারের ফি নির্বাচন করার ক্ষেত্রে আপনাকে সচেতন হতে হবে। এমন টিউশন ফি নির্বাচন করতে হবে , যা মধ্যবিত্তদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব। হঠাৎ করে অনেক বেশি টাকা নির্ধারণ করবেন না, যাতে বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রী (Students)রাই কোচিং সেন্টার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হন।

কোচিং এর সময় নির্বাচন করুন:

এমন সময়ে কোচিং এর সময় নির্বাচন করুন যেটা ছাত্রছাত্রীদের পক্ষে সুবিধা জনক। যেমন স্কুল শুরুর আগে এবং স্কুল শুরুর পরের সময় গুলি ছাত্রছাত্রী (Students)দের জন্য বেস্ট।

কোচিং সেন্টারের প্রমোশন করবেন কিভাবে?

অনেক সময় দেখা যায় অনেক ভালো শিক্ষক-শিক্ষিকারা কোচিংয়ে পড়াচ্ছেন তবে ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা কম। এর কারণ হলো অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী (Students)রা বা অভিভাবকেরা এই কোচিং সেন্টারটি সম্পর্কে জানেন না। আপনারা যদি এলাকার স্কুল কলেজ বা যে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে আপনার কোচিং এর ডিটেলস লিফলেট আকারে বিলি করতে পারেন বা কোন পোস্টার মারফত প্রচার করতে পারেন, তাহলে খুব শীঘ্রই বহু মানুষের চোখে আপনার কোচিং সেন্টারটির বিজ্ঞাপন পড়বে এবং ছাত্র-ছাত্রী (Students) সংখ্যাও ক্রমশ বাড়তে থাকবে

কোচিং এর ব্যবসায় খরচ কত এবং ইনকাম কত?

কোচিং এর ব্যবসা(Business Idea) শুরু করতে গেলে আপনাকে প্রথমে একটু ইনভেস্টমেন্ট করতে হবে। ঘর ভাড়া, ইলেকট্রিক বিল, পড়ানোর সামগ্রী কেনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে আপনার বেশ কিছু টাকা খরচ করতে হবে। বর্তমানে যেহেতু স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা টিউশন পড়াতে পারেন না এজন্য অনেক ছাত্রছাত্রীরাই এমন কোচিং সেন্টারের দিকে আকর্ষিত হচ্ছে। সুতরাং ছাত্র-ছাত্রী (Students)র সংখ্যা নেহাত কম হবেনা আপনার কোচিং সেন্টারে। প্রত্যেক মাসে কয়েক হাজার টাকা উপার্জন (Earning) করতে পারবেন আপনারা। ছাত্র-ছাত্রী (Students) সংখ্যা যত বাড়বে আপনার আয়ের পরিমাণও তত বাড়তে থাকবে।

৩. ধুপকাঠির ব্যবসা:

অল্প মূলধন দিয়ে শুরু করার মত অন্য একটি ব্যবসা হলো ধূপকাঠির ব্যবসা। অন্যান্য ব্যবসা গুলির মত এই ব্যবসাটি করতে গেলেও আপনাকে বেশ কয়েকটি বিষয়ে মাথায় রাখতে হবে।

ধুপকাঠি তৈরির কাঁচামাল:

ধুপকাঠি তৈরির জন্য প্রথমেই আপনাদের দরকার হবে কাঁচামাল (Raw Material For Making Agarbatti)

আপনাদের দরকার পড়বে কাঠ-কয়লার গুঁড়ো, চন্দন গুড়ো , বাশের লাঠি, পারফিউম, জিগাত পাউডার , হোয়াইট চিপস পাউডার ,কাগজের বাক্স, ধুপকাঠি মোড়ানোর কাগজ, কুপাম ডাস্ট ইত্যাদি।

ধূপকাঠি তৈরির কাঁচামাল কোথায় পাবেন?

আপনারা অনলাইনের মাধ্যমেই ধূপকাঠি তৈরীর কাঁচামাল(Raw Materials) কিনতে পারবেন। এছাড়া কলকাতার বড়বাজার সহ বড় বড় পাইকারি এবং হোলসেলার মার্কেট থেকেও আপনারা ধুপকাঠি তৈরির কাঁচামাল(Raw Materials) অল্প মূল্যে কিনতে পারবেন।

ধুপকাঠি তৈরি শিখবেন কিভাবে?

ধুপকাঠি তৈরি শেখার পদ্ধতি (How To Learn Agarbatti Making) খুবই সহজ। আপনারা সরাসরি ইউটিউবে সাহায্য নিতে পারেন এবং ইউটিউব ভিডিও দেখে আপনারা ধূপকাঠি(Agarbatti Business) তৈরির সমস্ত পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারবেন।

ধুপকাঠি তৈরির মেশিন:

ধুপকাঠি তৈরির মেশিন সাধারণত চার প্রকার। আগে সাধারণত হাতে করেই ধূপকাঠি(Agarbatti Business) তৈরি করা হতো তবে বর্তমানে প্রযুক্তি উন্নত হওয়ার জন্য মানুষ মেশিনের উপরে নির্ভর করে থাকেন। মেশিনের সাহায্যে খুব কম সময়ে অনেক বেশি ধুপকাঠি তৈরি করা সম্ভব।

ধুপকাঠি তৈরি করতে গেলে সাধারণত তিনটি মেশিন দরকার হয়। ধূপকাঠির মসলা মিক্স করার মেশিন, ধুপকাঠি তৈরির মেশিন এবং ধুপকাঠি শুকানোর মেশিন। এছাড়া ধুপকাঠির প্যাকিং করার জন্য আলাদা একটি মেশিন কিনতে পাওয়া যায়।

ধুপকাঠি তৈরির জন্য আপনারা অটোমেটিক মেশিন (Automatic Mechine For agarbatti Making) বা হাইস্পিড মেশিন কিনতে পারেন। অটোমেটিক মেশিনগুলির সাহায্যে প্রতি মিনিটে ১৮০ টি ধুপকাঠি তৈরি করা সম্ভব এবং স্পিড মেশিন গুলির সাহায্যে প্রতি মিনিটে ৪৮০ থেকে ৫০০ টি ধুপকাঠি তৈরি করা সম্ভব।

ধুপকাঠি তৈরির মেশিন আপনারা বড় বড় ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানিগুলি থেকে কিনতে পারেন।

ধুপকাঠি শুকানোর নিয়ম:

ধুপকাঠি তৈরি করতে গেলে ধুপকাঠি শুকানো একটি বড় ব্যাপার। সরাসরি রোদে দিয়ে কখনই ধূপকাঠি(Agarbatti Business) শুকানো যায় না। ধুপকাঠি শুকানোর মেশিন পাওয়া যায় তবে এটির জন্য আপনাকে ২৫ হাজার টাকা খরচ করতে পারে। আপনারা যদি বাড়িতে ফ্যানের নিচে বা যেকোন ঠান্ডা জায়গায় হাওয়া দিয়ে ধূপকাঠি শুকাতে পারেন, তাহলেও হবে।

ধুপকাঠির বাজার সম্পর্কে জানুন:

ধুপকাঠি সাধারণত প্রতিটি হিন্দু বাড়িতেই দরকার হয় সন্ধ্যার সময়। এছাড়া যে কোন পূজা পার্বনেও দরকার হয় ধূপকাঠির। এলাকার যে সমস্ত দোকানে ধুপকাঠি বিক্রি হয় সেই সমস্ত জায়গায় আপনারা আপনাদের ধুপকাঠি সাপ্লাই করতে পারেন বা সরাসরি ম্যানুফ্যাকচারিং প্লেস এর থেকেই বিক্রি করা শুরু করে দিতে পারেন। পাশাপাশি বাজারে ধুপকাঠির মূল্য কত এবং কোন দলে বিক্রি করলে আপনার লাভ থাকবে সেই বিষয়টিও ক্যালকুলেশন করে নিতে হবে।।

ধুপকাঠি তৈরির ব্যবসায় রেজিস্ট্রেশন:

যেখানে ব্যবসা শুরু করতে গেলে রেজিস্ট্রেশন করে রাখা ভালো। পরবর্তীকালে কোনরকম আইনি ঝামেলা এড়ানো যায় এবং গ্রাহকদের কাছেও বিশ্বাসযোগ্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়।

ধুপকাঠি তৈরির ব্যবসায় ইনকাম কত:

ধুপকাঠি তৈরির ব্যবসা খুব অল্প জায়গাতে করা সম্ভব। প্রত্যেক মাসে আপনারা কয়েক হাজার টাকা পর্যন্ত উপার্জন (Earning) করতে পারবেন। ব্যবসার আকার যদি আপনারা বাড়াতে পারেন তাহলে ধূপকাঠি(Agarbatti Business) উৎপাদন কয়েক গুণ বেশি হবে এবং লাভের অংকও হবে কয়েক গুণ বেশি।

এই রইল অল্প পুঁজিতে করার মতো তিনটি ব্যবসার আইডিয়া। আপনারা বাড়িতে বেকার বসে না থেকে নিজের জমানো স্বল্প মূলধন থেকে এই ব্যবসা গুলি শুরু করতে পারেন। যদি আপনাদের মূলধন সংক্রান্ত সমস্যা(Problem) থাকে , তাহলে আপনারা বিভিন্ন ব্যাংক এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে লোন নিতে পারেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker